জাতীয়

৫ দিনের জোড় সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে ৫ দিনের জোড় শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাবলীগের মূলধারার মুরব্বী ও সাথীরা। সেই সাথে ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করারও দাবি জানানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট মো. ইউনুস মোল্লা।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত জোড়কে বানচাল করতে একটি মহল দারুল উলুম দেওবানদের নাম ব্যবহার করে কাওমি মাদরাসার কিছু ওলামায়েকরাম তাবলীগের মতো অরাজনৈতিক সংগঠনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। অথচ দারুল উলুম দেওবান তাবলীগের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। তারপরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল মাদরাসার কোমলমতি ছাত্রদের হাতে লাঠি-সোটা দিয়ে ইজতেমা মাঠ দখলের চেষ্টা করছে। যাতে করে এই জোড় কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তারা শান্তিপূর্ণ জোড় ও দাওয়াতী কার্যক্রমকে অহিংস করে তোলার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন।

আরো বলা হয়, এই অবস্থায় কোনো প্রকার দুর্ঘটনা, সংঘর্ষ বা সংঘাত ঘটলে তার দায়ভার কাওমি মাদরাসা, শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসার ওস্তাদ, মহতামিম, কমিটি ও তাবলীগের মূলধারাচ্যুত বিদ্রোহী মুরব্বীদেরকেই নিতে হবে।

মুরব্বীরা বলেন, অর্ধশত বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সরকার ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় বিশ্বের ৮০টি দেশের অংশগ্রহণে বাংলাদেশের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি একটি মহল পাকিস্তানের ইন্ধনে বিশ্ব ইজতেমাকে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে দিতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এটি সেই ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ মাত্র। এ সকল ষড়যন্ত্রকে রুখে ইসলামের দাওয়াতী কাজ বিশ্ব ইজতেমাকে সুষ্ঠুভাবে সংগঠিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব) মো. রফিক, খাদ্য বিভাগের সাবেক ডিজি রুহুল আমিন, ব্যারিস্টার গাজিউর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা সাইফুল্লাহ প্রমুখ।