জাতীয়

আজব প্রশ্নে কী উত্তর লিখবে শিশুরা!

সুনামগঞ্জে ভুলে ভরা প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতী শিক্ষার্থীরা। শনিবার জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের দ্বিতীয় শ্রেণির ২য় সাময়িক পরীক্ষা ছিল। ৯৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভুলে ভরা প্রশ্ন দিয়েই শুরু হয় গণিত পরীক্ষা। প্রশ্নে পাওয়া যায় অসংখ্য ভুল। শিশুরা এরকম প্রশ্ন পেয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েছে। কিভাবে তারা উত্তর করবে তা বুঝতে পারেনি।

প্রশ্নে অসংখ্য ভুল থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অভিভাবক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

১ নম্বর প্রশ্নে দেখা যায়, কথায় লেখ বললেও প্রশ্নেই কথায় লেখা আছে আবার অংকে লেখ বললেও সংখ্যাগুলো অংকেই লেখা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন কর্তৃপক্ষ যেভাবে পরীক্ষা নেবে আমরা সেভাবেই পরীক্ষা নেই।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ইয়াকুব আলী কামরুপদলং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক লাল চক্রবর্তী বলেন, দক্ষ শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও শিক্ষা অফিসার যেনতেন ভাবে প্রশ্ন প্রণয়ন করেন। এ ব্যাপারে আগামিতে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও প্রুফ দেখার জন্য আলাদা কমিটি ছিল। উপজেলার ছয়হারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবা রাণী পাল ও তেরহাল নূরপুরের প্রধান শিক্ষক সুব্রত বণিক কমিটি দুটিতে কাজ করেছেন। তাদের গাফিলতির কারণে এ ধরণের ভুল হয়েছে। তিনি তাদের ডেকে কারণ জানতে চাইবেন বলে জানান।