ক্রীড়াঙ্গন

হাতুরুর মতো একই শঙ্কা রোডসকে নিয়ে!

অনেক সময় ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে ছিলেন শ্রীলঙ্কান কোচ চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহে। তার প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এতই আস্থা ছিল যে, দল নির্বাচন থেকে শুরু করে অনেক পাওয়ারফুল দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে। কিন্তু সেই দায়িত্ব বরাবরই বরখেলাপ করেন হাথুরু।

নিজের পছন্দের খেলোয়াড়কে সুযোগ দেয়া ছাড়াও নানা সময় অহেতুক কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনায় ছিলেন শ্রীলঙ্কান কোচ। তার সবচেয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ছিল একাদশ গঠনে ভূমিকা রাখা। তবে জানা যাচ্ছে, টাইগারদের বর্তমান কোচ রোডসকেও একই সুযোগ দিচ্ছে বিসিবি।

২০১৬ সালে প্রথম দল হিসেবে দ্বিস্তরভিত্তিক নির্বাচক প্যানেল গঠন করে বিসিবি। প্রথম স্তরের প্যানেলে প্রধান নির্বাচককে নিয়ে দুই নির্বাচক তো রয়েছেন, দ্বিতীয় স্তরে দলের ম্যানেজার আর কোচের সাথে ছিলেন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান। কোচ বদলে নতুন মুখ এলেও বিসিবি ভরসা রাখছেন সেই ব্যবস্থাতেই।

এ প্রসঙ্গে নিশ্চিত করেছেন খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেন, ‘আগে যা ছিল, সেই পদ্ধতিই থাকছে। নির্বাচন পদ্ধতি যা ছিল, একটা কমিটি থাকবে যেটির প্রধান থাকবেন ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান আকরাম খান। পাশাপাশি কোচ, ম্যানেজার এবং নির্বাচকদের কম্বিনেশনে হবে।’

তবে একাদশ সাজাতে বড় ভূমিকা থাকে অধিনায়কেরও! এমন কথায় বিশ্বাস করা সমর্থকদের জন্য হয়ে উঠতে পারে কষ্টসাধ্য। তবে বোর্ড সভাপতির দাবি এমনই। তিনি বলেন, ‘এখানে মনে রাখতে হবে, কোন ধরণের খেলা, কী ধরণের পিচ, কেমন কন্ডিশনে খেলা হবে, এসব কোচ বলে দেবে। নির্বাচকরা তার পর দল নির্বাচন করে পাঠাবে। চূড়ান্ত একাদশ কিন্তু অধিনায়কের। ওখানে নির্বাচক বা আমাদের কিছু বলার নেই। সেরা একাদশ মূলত অধিনায়ক আর কোচ ঠিক করবেন।’

প্রসঙ্গত, বিসিবির বক্তব্যের পর লোকমনে শঙ্কা জাগতে পারে তবে কি হাথুরুর মতো রোডসও একই কাজ করবেন?