ক্রীড়াঙ্গন

বিদায়ের হুমকিতে রামোসের দামে মডরিচ

বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই মডরিচের পিছু ছুটে ইন্টার মিলান। তাদের লক্ষ্য ছিল যে কোন মূল্যে ক্রোয়েশীয় তারকাকে ভাগিয়ে নেয়া। কিন্তু এ খবর শোনা মাত্রই মডরিচের ‘রিলিজ ক্লজ’ ট্যাগ ৭৫০ মিলিয়ন ইউরো বসিয়ে দেয় রিয়াল মাদ্রিদ। মূলত জানিয়ে দেন মডরিচ তাদের, মোটেও বিক্রির জন্য নয়।

কিন্তু শঙ্কা হলো, এত বড় রিলিজ ক্লজ বসানোর পরও মডরিচ যদি নিজ ইচ্ছাতে চলে যেতে চান তবে তো তাকে আটকানো যাবে না। ৩২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার শুধু বেতনের জন্য মাদ্রিদ ছাড়তে চাইছেন বলে মনে করেছিল রিয়াল। মডরিচের ক্যারিয়ারে বড় চুক্তির এটাই শেষ সুযোগ। সময় আর ফর্মও তার পক্ষে। এখন যদি বাড়িয়ে নিতে না পারেন, তাহলে আর কখন? রিয়াল এ ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছে। তাই তারা মডরিচের বেতনও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মডরিচের পারিশ্রমিক বাড়িয়েছে। তাতে কাজও হয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, রিয়াল ঘনিষ্ঠদের এই ক্রোয়াট তারকা বলেছেন, তিনি থাকছেন। শুক্রবার (১০ আগস্ট) সকালে রিয়ালের হয়ে অনুশীলনের ছবি টুইট করে মডরিচের ক্যাপশন, ‘ব্যাক টু ওয়ার্ক’—অর্থাৎ কাজে ফিরলাম। মোটামুটি এরপরই রিয়াল সমর্থকেরা ধরে নেন, সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ছাড়ছেন না মডরিচ। এএস জানিয়েছে, লুকা মডরিচ নিজের সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিয়ালেই থাকবেন।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত জানিয়েছে, রিয়ালের বেতন কাঠামোয় এত দিন তৃতীয় গ্রেডে পারিশ্রমিক পেতেন মডরিচ। তার পারিশ্রমিক ছিল বছরে সাড়ে ৬ মিলিয়ন ইউরো। ইন্টার তাকে বছরে ১০ মিলিয়ন ইউরো বেতন দেয়ার লোভ দেখিয়েছিল। কিন্তু মডরিচকে ধরে রাখতে বছরে তাকে ১১ মিলিয়ন ইউরো পারিশ্রমিক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিয়াল।

রিয়াল অধিনায়ক সার্জিও রামোসও একই অঙ্কের (১১ মিলিয়ন ইউরো) পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন। মার্কা ব্যাপারটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, অধিনায়ক সার্জিও রামোসের সমান বেতন পাবেন তিনি (মদরিচ)। দুই পক্ষ শিগগিরই নতুন চুক্তিপত্রে সই করবে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।