জাতীয়

এবার উপজেলা নির্বাচন ৫ ধাপে, শুরু মার্চে

সংসদ নির্বাচনের পর দুই মাস বিরতি দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন; এবার ভোট হবে পাঁচটি ধাপে।

আগামী ফ্রেবুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে বলে সোমবার কমিশন সভার পর সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, “এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষা ও রমজান মাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে ভোট শুরু করা হবে। এ লক্ষ্যে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।”

বাংলাদেশে বর্তমানে ৪৯২টি উপজেলা পরিষদ রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের মার্চ-মে মাসে ছয় ধাপে এর অধিকাংশগুলোতে ভোট হয়েছিল।

আইনে মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা থাকায় এই নির্বাচন করতে হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ চালু হওয়ার পর ১৯৯০ ও ২০০৯ সালে একদিনেই ভোট হয়েছিল। ২০১৪ সালে ছয় ধাপে ভোট করেছিল তৎকালীন ইসি।

সেই ধারা বজায় রেখে এবার বিভাগওয়ারি ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। সেক্ষেত্রে আট বিভাগের ভোট হবে চার দিনে; অর্থাৎ এক দিনে দুটি বিভাগে ভোট হবে। বাকি যেগুলো থাকবে, সেগুলোতে ভোট হবে পঞ্চম ধাপে।

ইসি সচিব বলেন, “আট বিভাগের উপজেলাগুলোকে চার দিনে চার ধাপে ভোট করা হবে। বাকিগুলোর মেয়াদউত্তীর্ণ কবে হচ্ছে তা বিবেচনায় নিয়ে আরেকটি ধাপে ভোট শেষ করা হবে। সেক্ষেত্রে ৫ ধাপে ভোট করা হচ্ছে।”

উপজেলা ভোটেও ব্যবহার হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।

ইসি সচিব বলেন, জেলার সদর উপজেলায় পুরোপুরি ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

আগের উপজেলা নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হলেও আইনটি তার পরে সংশোধন হওয়ায় এবার দলীয় প্রতীকে পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন হবে।

তবে এর আগে ২০১৭ সালের মার্চে মেয়াদোত্তীর্ণ তিনটি উপজেলায় দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়েছিল।

দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিএনপি পরে নির্দলীয় উপজেলা ভোটে অংশ নিয়েছিল।

২০১৪ সালের ওই নির্বাচনের প্রথম তিন পর্বে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ীদের মধ্যে সংখ্যায় বিএনপি এগিয়ে ছিল। তবে পরের তিন পর্বে তাদের ছাপিয়ে যায় আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা।

এবার সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও তারা ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছে।