আন্তর্জাতিক

সাময়িকভাবে থাইল্যান্ডে থাকার সুযোগ পেলেন সৌদি তরুণী রাহাফ

অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয়প্রার্থী সৌদি তরুণী রাহাফ আল কুনুন সাময়িকভাবে থাইল্যান্ডে থাকার অনুমতি পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পথে ট্রানজিটের সময় থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারাই তাকে জোর করে কুয়েতগামী বিমানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

পরে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার তত্ত্বাবধানে তাকে থাইল্যান্ডে রাখার ব্যাপারে সম্মত হয় দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রত্যর্পণ ও পরিবারের সদস্যদের হাতে ‘অনার কিলিংয়ের’ শিকার হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্ত হলেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাহাফ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। চুল কাটার জন্য তাকে ছয় মাস ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তাছাড়া, ইসলাম ত্যাগের কারণে তার এক জ্ঞাতি ভাই তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।

থাইল্যান্ডের অভিবাসন পুলিশের প্রধান সাংবাদিকদের বলেছেন, রাহাফকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তত্ত্বাবধানে আপাতত থাইল্যান্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ইউএনএইচসিআর রাহাফের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সপ্তাহখানেক সময় নিতে পারে।