বিনোদন

ছেলের প্রথম অ্যালবামের মোড়ক উম্মোচন করলেন মা

একজন সংগীতপ্রেমী হিসেবেই নিজের পরিচয় দিতে ভালোবাসেন সুহৃদ স্বাগত। তিনি মনে করেন, একজন বাঙালির জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে গান। তার জীবনেও এটি ব্যতিক্রম নয়। নিজের অনুভূতি প্রকাশে তিনি নিত্যদিনকার ঘটনা নিয়ে গান লেখেন, নিজেই সুর করার পাশাপাশি গান করেন। নিজের বেশ কিছু গানের মধ্যে বাছাই করে ছয়টি বাংলা গান নিয়ে প্রকাশ হলো তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘পাপ’।

সম্প্রতি অ্যালবামটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে যাত্রা বিরতি প্রাঙ্গনে। মজার ব্যাপার হল অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করেছেন শিল্পীর মা কল্যাণী ব্যানার্জি। নিজের প্রথম অ্যালবামের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে মাকে মধ্যমণি করতে পেরে অনেক খুশি সুহৃদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে দেশের বেশকিছু জনপ্রিয় ব্যান্ডের শিল্পীরাসহ উপস্থিত ছিলেন অ্যালবামের প্রযোজনা সংস্থা আজব রেকর্ডস-এর কর্ণধার ও সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার।

সুহৃদ স্বাগত বলেন, ‘কিছুটা জীবনমুখী এবং কিছুটা বাংলা রক ধাঁচের লিরিকে পপ, সাইকেডেলিক এবং সফট রক ঘরানার গান করেছি এখানে। ৬০ থেকে ৯০ দশকের বিভিন্ন বাংলা ও ইংরেজি গান আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত এবং গানের প্রতি আগ্রহী করেছে।’

ঢাকা শহরেই সুহৃদের বেড়ে ওঠা এবং পারিবারিকভাবে, বিশেষ করে মায়ের মাধ্যমেই তার গানের সঙ্গে পরিচয়। নাগরিক জীবনে ঘটেছে তার আধুনিক শিল্প-সাহিত্যের জগতে ওঠাবসা।

স্মৃতি হাতড়িয়ে সুহৃদ বলেন, ‘ছোটবেলায় ঘরের “টু-ইন-ওয়ান”-এ বাজতে থাকত রবীন্দ্রসংগীত, দেশের বিভিন্ন ব্যান্ডের গান এবং ব্রায়ান এডামস, জন ডেনভারদের গান। তখন থেকেই গানের পোকা মাথায় ঢোকে। ১৬ বছর বয়সে লিখি প্রথম গান “জলছবি”।

বন্ধুরা গানটা শুনে উৎসাহ দেওয়ায় তার পর থেকে সময় পেলেই চলত নিজের মতো গান লেখা আর গিটার বাজিয়ে মোবাইলে রেকর্ড করা। তরুণ বয়সে অঞ্জন দত্ত এবং বিটলস্-এর গানে প্রবলভাবে অনুপ্রাণিত হই। এভাবে চলতে চলতে একদিন ‘জলছবি’, ‘পাপ’, ‘তবু একবার’, ‘কিছু হবে না’সহ অ্যালবামে থাকা ছয়টি গান নিয়ে অ্যালবাম করে ফেলেছি।’
অ্যালবামের প্রযোজনা, সংগীতায়োজন ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল যথাক্রমে আজব রেকর্ডস, আজব কারখানা, বাটার কমিউনিকেশনস ও হিউজ স্টুডিও। অ্যালবামটি আজব রেকর্ডসের ইউটিউব চ্যানেল সহ দেশ ও বিদেশের সকল মোবাইল অ্যাপ এ শোনা যাচ্ছে।