সারাদেশ

ইভিএমে ভোট দেওয়ার নিয়ম দেখলেন চট্টগ্রামের ভোটাররা

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত চট্টগ্রাম-৯ আসনে এ বিষয়ে ভোটারদের অবগত করতে প্রদর্শনী শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার এ আসনের অধীন নগরীর ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের কয়েকটি স্থানে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

দুপুরে এনায়েতবাজার ওয়ার্ড কমিশনার কার্যালয়ে এসেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা এ কে মাসুদ।

তিনি “আজ দেখলাম ইভিএমে কিভাবে ভোট দেওয়া হয়। এটা অত্যন্ত সহজ একটা বিষয়। সহজেই ভোট দেওয়া যাবে।

“আগে আমরা সবসময় সিল মেরে ভোট দিয়েছি। তার থেকে এটাতে সময় কম লাগবে বলে মনে হচ্ছে।”
আরেক ভোটার রুমা দাশ বলেন, “আমি দেখে গেলাম। ঘরের মেয়েদের পাশাপাশি পাড়ার মেয়েদেরও বলতে পারব কিভাবে নতুন পদ্ধতিতে ভোট দিতে হবে। ইভিএম সহজ। বয়স্কদের দুয়েকবার বুঝিয়ে দিলেই পারবেন।”

ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে- আঙ্গুলের ছাপ, স্মার্ট কার্ড, পুরনো এনআইডি কার্ড অথবা পুরনো ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করা হবে বলে জানান কোতোয়ালী থানা নির্বাচনী কর্মকর্তা কামরুল আলম।

“স্মার্ট কার্ড পাঞ্চ, আঙ্গুলের ছাপ অথবা আইডি নম্বর যেকোনো একটি কম্পিউটারে দেবার পর ভোটারের প্রোফাইল খুলবে।তারপর বুথে রাখা একটি ইভিএম মেশিনে তিনি ভোট দিতে যাবেন। ওই ইভিএমে প্রার্থীদের মার্কাসহ নাম থাকবে। সেখানে ভোটার প্রার্থীর মার্কা নিশ্চিত করে পাশের বোতাম টিপে ভোট দেবেন।”
কামরুল আলম আরও জানান, একটি বুথে একটি ভোটের সময় কোনো কারণে ইভিএম নষ্ট হয় হলে আরোও দুটি ইভিএম রাখা হবে, যাতে ভোটে কোনো ব্যাঘাত না হয়।

“এক একটি বুথে চারশ জন করে ভোট দিতে পারবেন। একটি ইভিএমে ৮ থেকে ১৬ জিবি মেমোরি কার্ড লাগানো থাকবে।”

বৃদ্ধ বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য সেই ভোটারের অনুমতিক্রমে সহযোগী হিসেবে একজন ভোট কেন্দ্রে তার ভোট দিতে সহায়তা করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম-৯ আসনের ১৪৪টি ভোট কেন্দ্রের ৭৪৩টি ভোটগ্রহণ কক্ষে ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে।

নগরীর ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসনে তিন লাখ ৯১ হাজার ৬১২ জন ভোটারের মধ্যে দুই লাখ চার হাজার ৪০৩ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৮৭ হাজার ২০৯ জন নারী ভোটার।

চট্টগ্রামের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান বলেন, ইভিএম বিষয়ে ভোটারদের অবগত করতে আজ ২২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রদর্শনী করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো ওয়ার্ডে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।