লাইফষ্টাইল

বৈবাহিক অবস্থা থেকে শারীরিক কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন

বিচ্ছেদ বা নতুন সম্পর্ক জীবনে বহু পরিবর্তন আনলেও পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে এই ধরনের ঘটনা শারীরিক কর্মক্ষমতার মাত্রা কমাতে প্রভাব ফেলতে পারে।

ফিনল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ হিউভাসক্লা’র গবেষকদের করা এই পর্যবেক্ষণের ফলাফল থেকে গবেষকরা বলেন, “এমনটা হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।”

পোস্টডক্টোরাল গবেষক ক্যাস্পার সালিন বলেন, “দেখা গেছে, শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রার উপর সম্পর্কের ভাঙাগড়ার প্রভাব পুরুষ ও নারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়।”

‘জার্নাল অফ পাবলিক হেলথ’য়ে প্রকাশিত এই গবেষণায় ৩৪ থেকে ৪৯ বছর বয়সি মোট ১,০৫১ জনকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

আর্থসামাজিক অবস্থা ও শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা এই দুইয়ের মধ্যকার সম্পর্কও পর্যালোচনা করেন গবেষকরা।

দেখা যায়, যেসব নারী-পুরুষের আর্থসামাজিক অবস্থান ভালো, তাদের শরীরচর্চার মাত্রা বেড়েছে চার বছরের ব্যাপ্তিতে।

গবেষকরা এই বৃদ্ধি হিসেব করছেন ‘অ্যারোবিক স্টেপ্স’য়ের এককে। কমপক্ষে ১০ মিনিট একটানা এবং প্রতি মিনিটে ৬০ বা বেশি পদক্ষেপকে ‘অ্যারোবিক স্টেপ্স’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

সালিন বলেন, “পদক্ষেপের মাত্রার এই বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে সমাজের উচ্চশ্রেণির মানুষগুলোর মধ্যে। শারীরিক যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতার দিক থেকে বিবেচনা করলে ‘অ্যারোবিক স্টেপ্স’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।”