আন্তর্জাতিকসারাদেশ

নির্বাচনী ইশতেহারে ভোটাধিকার চান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা

নির্বাচনী ইশতেহারে ‘প্রবাসীদের ভোটাধিকারের’ অঙ্গিকার চাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীরা। একইসঙ্গে দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাতে প্রাতিষ্ঠানিক একটি ব্যবস্থা সংযোজনের অনুরোধ করেছেন প্রবাসীরা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতারি প্রধান দুটি জোটের নির্বাচনী ইশতেহার শিঘ্রই প্রকাশিত হবে বলে জানার পরই সোচ্চার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা, বিবৃতি দিয়েছে বেশ কয়েকটি অঙ্গসংগঠন।

এ প্রসঙ্গে বলেন, “জীবিকার তাগিদে যারা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন, তাদেরকে মাতৃভূমির কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার অবকাশ থাকতে পারে না। তাদের ভোটাধিকার দেওয়া জরুরি। গত কয়েক বছরে এ দাবি বিভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়েছে, জাতীয় সংসদে আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোন বিধি তৈরি হয়নি। আসন্ন নির্বাচনে যেহেতু সব দল ও মতের লোকজনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাই প্রতিটি দল যদি নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়টি যুক্ত করে তাহলে সহজেই বাস্তবায়িত হবে।”

একই আহ্বানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে নতুন একটি বিষয় যুক্ত করার অনুরোধ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম যুক্তরাষ্ট্র শাখা ও আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক-সাহিত্যিক-আমলা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা কর্মজীবনে টাকা আয় করলেও শেষ বয়সে চিকিৎসা সংকটে পড়ছেন। কারো কারো সহায়-সম্পদ থাকলেও পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা সহায়তা পান না। ‘তিনি তো সুস্থ হয়ে কর্মজীবনে ফিরতে পারবেন না, অতএব সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করলে আমরা কীভাবে চলবো’ এমন মানসিকতা অধিকাংশ পরিবারের সদস্যদের। এ অবস্থায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে সহায়তা করতে হচ্ছে বেশ কয়েকজনের চিকিৎসার জন্য। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সবার প্রতি সুনজর দেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রবীনদের চিকিৎসার জন্যে সুনির্দিষ্ট একটি ব্যবস্থা করা উচিত।

আর এ বিষয়টি নির্বাচনী ইশতেহারে যুক্ত করার অনুরোধ জানিয়ে বিবৃতিতে সংহতি জানিয়েছেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা নূরন্নবী, উপদেষ্টা রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান, আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বাই ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুর রহমান এবং মূলধারার রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ।